"বৃষ্টির রাতে অপরিচিতা মেয়ে স্পর্শর সাথে যা ঘটলো!"




 

বৃষ্টির রাতে অপরিচিতা মেয়ে স্পর্শর সাথে যা ঘটলো!"

বাইরে তখন প্রচন্ড ঝড়। বিকেলের আকাশ কুচকুচে কালো, আর বৃষ্টির শব্দে মনে হচ্ছে পৃথিবীটা আজ ডুবে যাবে। লুজার তার বেডরুমে গেমিং চেয়ারে বসে পিসিতে গেম খেলছে। কিন্তু লুজারের আসল নজর বিছানার সোজাসুজি থাকা ৭৫ ইঞ্চি বিশাল টিভি স্ক্রিনের দিকে। সেখানে একটি জাপানিজ অ্যাপে জাপানিজ আর রাশিয়ান হট মেয়েদের ভিডিও চলছে। ওই বিশাল স্ক্রিনে সুন্দর শেপের দুধ আর পিং কালারের বোদা নগ্ন দেখে লুজারের প্যান্টের ভেতর তার বাড়াটা একটা লোহার রডের মতো শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। বাড়ার চাপে প্যান্টের জিপার যেন ছিঁড়ে আসতে চাইছে।


ঠিক এই সময় কলিংবেলের তীক্ষ্ণ আওয়াজ। লুজার আলসেমি ভেঙে উঠে গিয়ে দরজা খুলল। সামনে দাঁড়িয়ে ২২ বছরের এক তন্বী তরুণী। নাম তার স্পর্শ। বৃষ্টির তোড়ে ওর গোলাপি (Pink) রঙের কামিজটা শরীরের সাথে একদম কামড়ের মতো লেপ্টে আছে। ভেজা কাপড়ের ওপর দিয়ে স্পর্শের ৩৪ সাইজের ভরাট দুধের ডাব দুটো যেন ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে। লুজার যখন ওকে ভেতরে আসার পথ দিল, স্পর্শ ওর সামনে দিয়ে হেঁটে ড্রয়িংরুমের দিকে যাচ্ছিল। লুজারের নজর স্থির হলো স্পর্শের পেছনের দিকে। ওর পাছাটা একদম রাশিয়ান মাগীদের মতো চওড়া।

স্পর্শ: "ভাইয়া, আমি আপুর বাসায় যাচ্ছিলাম। বৃষ্টির কারণে রাস্তায় দাঁড়াতে পারছি না। একটু আশ্রয় নেওয়া যাবে?"

লুজার এক পৈশাচিক হাসি দিয়ে ওকে বেডরুমে নিয়ে এল। রুমে ঢুকেই স্পর্শ যখন ৭৫ ইঞ্চি টিভিতে ওই নোংরা ভিডিও দেখল, সে লজ্জায় একদম নীল হয়ে গেল। তখনই লুজারের বাড়ার দাপট ওর চোখে পড়ল। লুজার আলমারি থেকে ওর এক্স-গার্লফ্রেন্ডের ফেলে যাওয়া একটা টাইট সাদা টি-শার্ট আর সিল্কের ছোট প্যান্ট বের করে দিল। স্পর্শ ওগুলো নিয়ে বাথরুমে যাওয়ার সময় লুজার পেছন থেকে ওর সেই জাঁদরেল পাছার দুলুনি দেখল। ওই দৃশ্য দেখে লুজারের বাড়াতে যেন আগুন লেগে গেল।


১০ মিনিট পর স্পর্শ যখন বের হয়ে এল, লুজারের মাথা নষ্ট হয়ে গেল। টাইট টি-শার্টে ওর ৩৪ সাইজের দুধের বোঁটা দুটো স্পষ্ট ফুটে আছে, আর ছোট প্যান্টে ওর সেই জাঁদরেল ভারী পাছাটা একদম স্পষ্ট। ঠিক এই সময় প্রচণ্ড এক বিদ্যুৎ চমকালো। শব্দে পুরো বাড়ি কেঁপে উঠল। স্পর্শ ভয়ে এক চিৎকার দিয়ে লুজারকে সজোরে জড়িয়ে ধরল। ওর সেই ভরাট ৩৪ সাইজের গরম দুধের চাপে লুজারের শক্ত বাড়াটা স্পর্শের পেটের নিচে গিয়ে সজোরে বিঁধল। লুজার আর দেরি করল না। শুরু হলো এক পৈশাচিক লিপ কিস। লুজার ওকে বিছানায় ফেলে ৫ মিনিট ধরে ওর ঠোঁটে আর গলায় পাগলের মতো চুমু খেল। এরপর গেঞ্জি ওপরে তুলে ওর ৩৪ সাইজের দুধ চুষতে চুষতে প্যান্ট আর প্যান্টি খুলে ফেলল। স্পর্শের পিচ্ছিল ভোদায় আঙুল দিতেই সে কুঁকড়ে উঠল।
লুজার নিজের প্যান্ট খুলে তার সেই বিশাল দানবীয় বাড়াটা বের করতেই স্পর্শ ভয়ে পিছিয়ে গেল। লুজার ওর পেটে কিস করতে করতে ওপরে উঠে আবার দুধ চুষতে চুষতে ওর ঠোঁটে ঠোঁট মেলাল। যখন স্পর্শ কামে পাগল, লুজার ওর ভোদায় বাড়ার মুণ্ডি সেট করে মারল এক পৈশাচিক রাম ঠাপ! একটানা ১৭ মিনিট পৈশাচিক গতিতে চুদল লুজার। মিশনারি পজিশনে লুজারের বাড়া যখন আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়ল, সে স্পর্শের ভোদায় তার তপ্ত বীর্য ঢেলে দিল।

১০ মিনিট পর লুজারের বাড়াটা আবার লোহার মতো শক্ত হয়ে গেল। লুজার বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে স্পর্শকে ইশারা করল। স্পর্শ হাঁটু গেড়ে বসল। লুজার ওর চুলে মুঠি ধরে সজোরে ওর মুখের ভেতর নিজের রাজকীয় বাড়াটা ঢুকিয়ে দিল। লুজার পৈশাচিক শক্তিতে ওর মুখে বাড়া দিয়ে ধাক্কা মারতে লাগল, স্পর্শ নিঃশ্বাস নিতে পারছিল না। বাড়া পুরোপুরি খ্যাপাটে হয়ে গেলে লুজার ওকে উল্টো করে ডগি স্টাইলে দাঁড় করাল। একটানা ৫ মিনিট ধরে ওর সেই ভারী রাশিয়ান পাছার খাঁজে পৈশাচিক গতিতে ঠাপাল লুজার।
এরপর লুজার বিছানায় হেলান দিয়ে শুয়ে পড়ল। স্পর্শ ওর ওপর বসে নিজের হাতে লুজারের বাড়াটা ধরে ওর ভোদায় সেট করে বসে পড়ল। স্পর্শ যখন ওর ওপর লাফাচ্ছিল, লুজার নিচ থেকে কোমরের জোরে সজোরে রাম ঠাপ দিচ্ছিল। লুজার ওর ৩৪ সাইজের দুধ চুষতে লাগল। হঠাৎ স্পর্শ এক তীব্র শিৎকার দিয়ে লুজারের ওপর লেপ্টে গেল এবং লুজারের বাড়ার ওপরই ওর মাল বের হয়ে গেল। লুজারেরও তখন মাল আসার সময় হলো এবং সে সজোরে এক শেষ ঠাপ দিয়ে সবটুকু বীর্য স্পর্শের ভোদায় ঢেলে দিল। মাল ফালানোর পর বাড়াটা ভোদায় ঢোকানো অবস্থাতেই লুজার স্পর্শকে বুকের মধ্যে সজোরে চেপে ধরে ১০ মিনিট শুয়ে থাকল।

১০ মিনিট পর লুজার স্পর্শকে কোলে তুলে বাথরুমে নিয়ে গেল। ঝরনার নিচে ওকে দাঁড় করিয়ে লুজার ওকে ওয়ালে দুহাত দিয়ে হেলান দিতে বলল। স্পর্শ ওয়ালে হেলান দিতেই লুজার ওর পেছন থেকে আবার ওর ভোদায় বাড়া ঢুকিয়ে সজোরে ঠাপানো শুরু করল। এরপর লুজার ওকে কোল-চুদা স্টাইলে কোলে তুলে নিল। ঝরনার পানির সাথে সাথে লুজারের বাড়ার ঘর্ষণে স্পর্শ আর নিজেকে সামলাতে পারল না, ওর দ্বিতীয়বার মাল বের হয়ে গেল। স্পর্শের মাল বের হওয়ার পর লুজার আর সময় দিল না, সজোরে কয়েকটা শেষ ঠাপ দিয়ে ওর রাজকীয় বাড়ার সবটুকু তপ্ত বীর্য স্পর্শের ভোদায় ঢেলে দিয়ে ফিনিশিং দিল। ঝরনার পানির নিচে লুজারের মাল ফোঁটায় ফোঁটায় পানির সাথে মিশে যেতে লাগল। চূড়ান্ত তৃপ্তি নিয়ে দুজনে গোসল সেরে শান্ত হলো।

Comments